কোমল পানীয় কিভাবে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে | কোমল পানীয় এর অপকারিতা সমূহ

কোমল পানীয় কিভাবে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে
কোমল পানীয় কিভাবে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে

কোমল পানীয় কিভাবে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে?

= ঠাণ্ডা অবস্থায় ও উচ্চ চাপে পানিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করে কোমল পানীয় তৈরি করা হয়। কোমল পানীয়তে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড (H3CO3) উৎপন্ন করে। এই উৎপন্ন কার্বনিক এসিড খাদ্য হজমের সংশ্লিষ্ট এনজাইমের ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে ফলে খাদ্য হজম বা পরিপাক তাড়াতাড়ি ঘটে। তাই খাদ্য হজম বা পরিপাক হবার জন্য মানুষ কোমল পানীয় পান করে।

কোমল পানীয় পানের ক্ষতিকর দিক সমূহ-

দাঁতের ক্ষতি:

চিনি ও অম্লীয় উপাদান দুটোই প্রচুর পরিমাণে থাকে কার্বোনেইটেড পানীয়তে। দুটোই দাঁতের শত্রু। তাই দাঁতের ক্ষয় ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কোমল পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে।

ডায়বেটিস ও হৃদরোগ:

নিয়মিত কোমল পানীয় পান করলে টাইপ-টু ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ডায়েট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা অনুযায়ি, নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব, তবে পুরোপুরি নাকচ করা সম্ভব হয় না।

একই গবেষণায় আরও জানা যায়, কোমল পানীয় ‘মেটাবলিক সিন্ড্রোম’ বা বিপাকীয় প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়, যা ক্রমেই ঠেলে দেয় হৃদরোগের দিকে। আছে উচ্চ রক্তপচাপের আশঙ্কাও।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url